নিজের মনস্কামনা পূরনের জন্য বিভিন্ন সমাজের মানুষদের মধ্য বিভিন্ন ধরণের রীতি রয়েছে। একে অন্যভাবে দেখার কোন প্রয়োজন নেই। একটি দেশের রীতি অন্যদেশে তা রীতিমত অবাক চোখে দেখবে। কিছুদিন আগে গামাগোড়ি নামে একটি জায়গায় বেড়াতে গিয়েছি। তখন যাত্রাপথে দেখা মিলল একটি গাছের যেখানে অনেকগুলি কাগজ ঝুলছিল। গিন্নী বলল, এই গাছটিতে দেখ কত কাগজ দিয়ে তা সাজিয়েছে। তখন বুঝিয়ে বললাম যে, এটি কোন সাজান নয়। এই গাছটিতে বিভিন্ন মানুষেরা তাদের মনস্কামনা লিখে রেখেছে এবং জাপানীজদের ধারণা এইভাবে পাতায় লিখলে তাদের মনের আশা পূর্ণ হবে। তবে সব গাছেই লিখে রাখে তা নয়। সাধারণত মন্দিরের গাছে এইভাবে পাতায় লিখে রাখার প্রচলন দেখা যায়। তবে মন্দিরের গুলিতে মন্দির থেকেই একটি পাতা বিক্রি (মন্দিরের একস্ট্রা ইনকাম) করা হয় তাতে লিখতে হয়। তবে এই গাছটি সেইরকম মন্দির নয়। একটি গ্রামের বৈঠকখানা। সেখানে হয়তো কোন ইভেন্ট ছিল এবং বাচ্চারা মনে হয় কাগজ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরী করেছে এবং তা লিখেছে।

গিন্নী জিজ্ঞাস করল, কি লিখেছে। একটিতে পড়ে দেখলাম লিখা আছে, নিরাপদ রাস্তা চায়। গিন্নী উত্তরে বলল, এত নিরাপদ শহর তারপরেও, এদের বাংলাদেশে পাঠানো উচিত।



গল্পে বলছিলাম, গামাগোড়ি যাবার কথা। এটি আমার একটি প্রিয় জায়গা। সমুদ্রতট টি সত্যিই সুন্দর। তবে এটি মূলত শামুক চাষ হয়। এবং নিশ্চয় জানেন যে জাপানীজরা শামুক খেতে খুব পছন্দ করে। আমার গিন্নী শামুকের কথা শুনে, সাগড় পাড়ে কিছুক্ষণ ঘুরল। যদি মুক্তা পাওয়া যায়।

Leave a Reply

*

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes
Improve Your Life, Go The myEASY Way™