আপনারা অনেকেই জানেন হয়তো যে আমার মূল গবেষনার বিষয়বস্তু হল বায়োসেন্সর তৈরী করা। এতদিন পর্যন্ত খুব একটা বায়ো জাতীয় জিনিসপত্র অর্থাৎ কোষ, DNA, স্নায়ু নিয়ে সরাসরি কাজ করতে হয়নি। আমেরিকায় কাজ করবার সময় আমার সহকর্মী সেগুলি নিয়ে কাজ করতো আর আমি ইলেকট্রনিক্স এর বিষয়টি দেখতাম। সরাসরি কাজ না করতে হলেও সেগুলি নিয়ে ধারণা ছিল। কিন্তু এইবার বেশ সমস্যায় পড়লাম। জাপানে বর্তমান গবেষনাতে সরাসরি কোষ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। বর্তমানে আমি HEG নামে একটি পরিচিত কোষ নিয়ে কাজ করছি। কোষগুলি কিভাবে একে অপরের সাথে তথ্য আদান প্রদান করে তার মূল রহস্যটি উদঘাটন করাই আমার মূল লক্ষ্য। এতদিন পর্যন্ত সিলিকন বা এই সংক্যান্ত পদার্থ ব্যবহার করেছি। ফলে যেভাবে চেয়েছি সেভাবেই তৈরী করতে পেরেছি। আর এই বিষয়ে প্রযুক্তিগুলি অনেকটাই স্ট্যাবলিশড। কিন্তু কোষ নিয়ে কাজ করার সময় দেখছি যেভাবে চাচ্ছি সেভাবে হচ্ছেনা। অনেকটা কোষের উপর ভরসা করেই চলতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার সমস্যা হল গত সপ্তাহে কোষগুলি দেখি মরে গেল। যে ইনকুবেটরে কোষগুলিকে লালনপালন করছিলাম, সেখানে ছত্রাক (বা ছাতা পড়ে যাওয়া) হয়ে গিয়েছিল।

তবে দুশ্চিন্তায় আছি। সামনে নিউরোন নিয়ে কাজ করতে হবে। আর তা আরো বেশী সংবেদনশীল।

কিভাবে কোষ যোগাযোগ করে। আমরা কম্পিউটার বা মোবাইলে যেভাবে ইলেক্টনিক্স এর মাধ্যমে যোগাযোগ করি, কোষ বা নিউরোনে অনেকটা সেরকমই যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে। তবে তা বায়োলজিক্যাল। ইলেকট্রনিক্সের পরিবর্তে সে রাসয়নিক পদার্থকে পাঠিয়ে সিগনাল হিসাবে ব্যবহার করে। সাধারণত আমরা সেগুলিকে বলি চ্যানেল। কোষগুলি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ইত্যাদি সিগনাল ব্যবহার করে। আমি একটি ডিভাইস তৈরী করছি যেটি দিয়ে কোষগুলির এই যোগাযোগ ব্যবস্থা বুঝা যাবে। আমি নতুন কিছু করছিনা, এটি ২০ বছরে আগে এটি আবিষ্কৃত পদ্ধতি।তবে সাধরনত বিজ্ঞানীরা patch clamp নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে। আর আমি চেষ্টা করছি সিলিকন ডিভাইস দিয়ে তা পড়া সম্ভব কিনা।

1 Comment on বায়োটেকনলজি

  1. Dabashis says:

    আপনার ব্লগের biotechnology বিষয়টি পড়ে ভাল লাগল। আমি নিজে Genetic Engineering and biotechnology( depertment in jessore and science Technology university) বিভাগের ছাএ। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে গবেষনাক রতে চাই।
    Thanks

Leave a Reply

*

Get Adobe Flash playerPlugin by wpburn.com wordpress themes
Improve Your Life, Go The myEASY Way™